ঢাকা | | বঙ্গাব্দ

ইবিতে তারুণ্য'র হৈমন্তী উৎসব

ইবিতে তারুণ্য'র হৈমন্তী উৎসব
ad728
নানা আয়োজনে শীতের আমেজে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) অনুষ্ঠিত হলো স্বেচ্ছাসেবী ও অরাজনৈতিক সংগঠন তারুণ্য'র হৈমন্তী উৎসব।

রোববার (৩০ নভেম্বর) দিনব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা প্রাঙ্গণ মুখরিত ছিল শিক্ষার্থীদের আনন্দ ও উৎসাহে।

উৎসবে শিক্ষার্থীরা নিজ হাতে তৈরি বিভিন্ন ধরনের পিঠার পসরা সাজিয়ে উপস্থিত ছিলেন। সকাল থেকেই বটতলা প্রাঙ্গণ শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে। অনেকেই বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে পিঠা ক্রয় করে ভাগাভাগি করে খাচ্ছেন, কেউ আবার আগ্রহ নিয়ে হরেক রকমের বাহারি পিঠা দেখছিলেন।

উৎসবে উপস্থিত পিঠার মধ্যে রয়েছে নকশীপিঠা, ডালপুরি, তেলপিঠা, পুলি পিঠা, পায়েস, ঝালপুলি, তেজপাতা পিঠা, নারকেলপুলি, দুধ চিতই, ফুলঝুরি পিঠা, ডালের চপ, বেগুনের চপ, আলুর চপ, খিচুড়ি।

এছাড়া উৎসবে ছিল তারুণ্য'র লাইব্রেরী, দোলনা, ফটোকর্ণার এবং রিভিউ জোন, যেখানে শিক্ষার্থীরা নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে পারছিলেন।

ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী সুমাইয়া জেসমিন বলেন, "আজকের এই হেমন্ত উৎসব ১৪৩২ এ বাঙালিয়ানার খাবার— খিচুড়ি, নানা ধরনের পিঠা-পুলিসহ সবই অন্তর্ভুক্ত। দোলনার ব্যবস্থাও বেশ আকর্ষণীয়। সবাই পিঠা খেতে আকৃষ্ট হচ্ছিল, আমি নিজেও কয়েকটি পিঠা খেয়েছি, খুব ভালো লেগেছে। সব মিলিয়ে এটি একটি প্রাণবন্ত উৎসব হিসেবে মনে হয়েছে।"

তারুণ্য'র সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক আহমেদ হিমেল জানান, "হেমন্ত মনোহর ঋতুকে আরও প্রাণবন্ত ও সৃজনশীল করে তুলতেই এই ‘হৈমন্তী উৎসব ১৪৩২’ আয়োজন করা হয়েছে। সৃজনশীলতা, বন্ধুত্ব ও সাংস্কৃতিক চর্চা এগিয়ে নেওয়াই এর মূল লক্ষ্য। বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ, আনন্দঘন ও উন্মুক্ত মিলনমেলায় রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছি। গ্রামীণ আবহে উৎসবে দুটি সেগমেন্টে খিচুড়ি, আলুর চপ, মরিচ ভর্তা, ডিমের দো-পেঁয়াজা এবং পুলি, দুধ চিতই, নকশি, জামাইসহ নানা পিঠার আয়োজন করা হয়েছে।"

উৎসবটি শুধু খাবারের আনন্দেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং শিক্ষার্থীদের মধ্যে বন্ধুত্ব, সৃজনশীলতা ও সাংস্কৃতিক চর্চার প্রাণবন্ত মিলনমেলায় রূপ নিয়েছিল।

মুক্তিসরণি/এমএস